ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন সম্বন্ধে সকলেরই ধারণা থাকা উচিত, না হলে সঠিকভাবে ত্বকের যত নেওয়া সম্ভব হবে না। এবং স্বাস্থ্যের যত্ন না নিলে যেমন স্বাস্থ্য ভালো থাকে না ঠিক তেমনি ত্বকের যত্ন না নিলে ত্বকও হয়ে ওঠে নিষ্প্রাণ।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন আমাদের সকলেরই ফলো করা উচিত। সব মানুষের ত্বকের ধরন বা স্কিন টাইপ এক নয়। তাই সকলের স্কিন কেয়ার রুটিনও এক নয়। কিন্তু আপনি কোন স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করবেন সেটা জানতে হলে আপনাকে আগে নিজের ত্বকের ধরন বুঝতে হবে। সাধারণত আমাদের ত্বক পাঁচ ধরনের হয়ে থাকে – তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক, নরমাল ত্বক, কম্বিনেশন ত্বক এবং সেনসেটিভ ত্বক। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন – এ ৫ ধরনের ত্বকের যত্ন নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী সঠিক স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করার মাধ্যমে ত্বককে প্রাণবন্ত, স্বাস্থ্যজ্জ্বল এবং ত্বকের অনেক সমস্যা হতে ত্বককে রক্ষা করা যায়। প্রতিদিনের কড়া রোদ, ধুলো-বালি, পলিউশন ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে যেতে হয় আমাদের ত্বককে যা আমাদের ত্বকের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ত্বকের প্রয়োজন একটু বিশেষ যত্নের।
প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট ত্বকের পিছনে সময় দিলে ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর রাখা সম্ভব।
Drive Research এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেয়েরা প্রতিদিন ২২.৪ মিনিট সময় ব্যয় করে তাদের স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করতে।
এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে যা যা জানতে পারবেন –
পাঁচ ধরনের ত্বকের বৈশিষ্ট্য,
ত্বকের ধরন চেনার উপায়,
তৈলাক্ত ত্বক, শুষ্ক ত্বক, স্বাভাবিক বা নরমাল ত্বক, কম্বিনেশন ত্বক এবং সেনসিটিভ ত্বক – সবগুলোর ভিন্ন ভিন্ন ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন,
ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন নিয়ে কিছু টিপস,➤ সেনসিটিভ ত্বক নিয়ে কিছু সতর্কতা।
চলুন জেনে নেওয়া যাক ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন–
স্কিন কেয়ার রুটিন শুরু করার আগে আমাদের জানতে হবে নিজেদের ত্বকের ধরন সম্পর্কে। সেই সাথে সকলের বোঝার সুবিধার্থে ভিন্ন ভিন্ন ত্বকের বৈশিষ্ট্য নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। ত্বকের ধরন এবং বৈশিষ্ট্য জেনে নিয়ে তবেই স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা উচিত।
১। তৈলাক্ত ত্বক :
বৈশিষ্ট্য :
মুখ ধোয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্বকে আবার তেলতেলে ভাব চলে আসে।

মুখ তেলতেলে হওয়ার কারণে ব্রণের উপদ্রব দেখা যায়।
অয়েলি স্কিনে পোরসগুলো সাধারণত বড় হয়।
এই ধরনের ত্বকে খুব সহজেই ময়লা আটকে যায়।
চেনার উপায় :
প্রথমে একটি ক্লিঞ্জার বা ফেসওয়াস দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি দেখেন এক ঘণ্টা পর মুখের বিভিন্ন জায়গা থেকে তেল নিঃসরণ হচ্ছে তাহলে বুঝে নেবেন আপনার তৈলাক্ত ত্বক।
তৈলাক্ত ত্বকের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন :
প্রতিদিন নিয়ম করে সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে দুইবার ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিবেন।
মুখে প্রতিদিন কমপক্ষে দুই থেকে তিনবার টোনার ব্যবহার করবেন। এটি স্কিনকে রিফ্রেশ করবে এবং হাইড্রেটেড রাখবে।
অনেকেরই ভুল ধারণা থাকে যে তৈলাক্ত ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু এটা একদমই সঠিক নয়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য প্রতিবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার পর অবশ্যই একটি জেল বেজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।
লাইট টাইপের সিরাম এই স্কিনের জন্য অনেকটা উপকারী।
দিনের বেলা বাইরে বের হলে অবশ্যই নিয়ম করে সানস্ক্রিন এপ্লাই এবং রি-এপ্লাই করবেন।
মেকআপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারী এবং অয়েল বেসড প্রোডাক্ট এভয়েড করবেন।
ন্যাচারাল স্কিন কেয়ার এর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করা যেতে পারে।
২। শুষ্ক ত্বক :
বৈশিষ্ট্য :
ত্বক কিছুটা খসখসে, রুক্ষ এবং অমসৃণ হয়।

ত্বক দেখলেই মনে হয় আদ্রতার অভাব রয়েছে।
পোরসগুলো একটু ছোট এবং টাইট থাকে।
ত্বকের আদ্রতা কম থাকার কারণে ত্বক কিছুটা বিবর্ণ এবং নিষ্প্রাণ দেখায়।
ত্বক অতিরিক্ত ড্রাই হয়ে গেলে চামড়া উঠে আসে।
ত্বকে প্যাচিনেস, ইরিটেশন বা ইচিনেস থাকতে পারে।
চেনার উপায় :
ফেইসওয়াশ ব্যবহার করে মুখ ধুয়ে নিন। এক ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি মুখের বিভিন্ন স্থান অনেক বেশি শুষ্ক হয়ে যায় তাহলে বুঝবেন আপনার শুষ্ক ত্বক।
শুষ্ক ত্বকের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন :
ত্বক শুষ্ক বলে ফেসওয়াস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন না। ময়েশ্চারাইজিং ফেইসওয়াস ব্যবহার করে প্রতিদিন নিয়ম করে দুইবার মুখ ভালোভাবে ফেসওয়াশ দিয়ে পরিষ্কার করবেন।
একটি হাইড্রেটিং টোনার ব্যবহার করে কয়েক বার টোনিং করে নেবেন।
চাইলে নাইট টাইম স্কিন কেয়ার একটি ভালো মানের সিরাম বা এসেন্স ব্যবহার করতে পারেন৷
ড্রাই স্কিনের জন্য ময়েশ্চারাইজার অনেক গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবার ফেসওয়াশ ইউজ এর পর একটি ভালো মানের মশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।
বাইরে বের হওয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে কমপক্ষে spf 30 যুক্ত একটি সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন এবং প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা পর পর রি-এপ্লাই করবেন।
মেকআপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে হালকা এবং ময়েশ্চারাইজিং টাইপের প্রোডাক্টস নির্বাচন করুন।
সপ্তাহে ২ দিন ঘরোয়া ফেস মাস্ক ব্যবহার করুন।
৩। স্বাভাবিক বা নরমাল ত্বক :
বৈশিষ্ট্য :
ত্বক খুব বেশি তেলতেলে হবে না।
অতিরিক্ত ড্রাই হবে না।

ত্বকে সেনসিটিভিটির কোন প্রবলেম থাকবে না।
ত্বকে কিছুটা ইমপারফেকশন থাকতে পারে আবার নাও থাকতে পারে।
চেনার উপায় :
নিজের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো মাইল্ড ফেসওয়াশ ব্যবহার করে মুখ ধুয়ে নিন, তারপর আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি মুখে কোন ধরনের ড্রাইনেস বা ওয়েলিনেস লক্ষ্য না করেন তাহলে আপনার স্কিন টাইপ নরমাল।
নরমাল স্কিনের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন :
ডেইলি সকালে এবং রাতে ফেইসওয়াশ বা ক্লিঞ্জার ব্যবহার করুন।
প্রতিবার ফেসওয়াস ব্যবহারের পর টোনার ব্যবহার করবেন। চাইলে ফেইস মিস্টও ব্যবহার করতে পারেন।
এন্টি-এন্জিং ঠেকাতে এবং ত্বককে ভালো রাখতে সিরাম ব্যবহার করবেন।
নরমাল স্কিনের জন্য পছন্দ অনুযায়ী একটি ভালো মানের মশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।
একটি বার রোদে বের হওয়ার আগে সানস্ক্রিন এপ্লাই করুন এবং সময় মত রিপ্লাই করবেন।
নরমাল স্কিন অনেকটা ঝঞ্ঝাট বিহীন তবে ঠিকমত যত্ন না নিলে স্কিন ড্রাই হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ত্বকের যত্নে বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
৪। কম্বিনেশন ত্বক :
বৈশিষ্ট্য :
এই ধরনের ত্বকে ওয়েলিনেস এবং ড্রাইনেস একসাথে লক্ষণীয়।
কপাল, নাক এবং থুতনির অংশে তেলতেলে ভাব লক্ষ্য করা যায়।

কপাল নাক এবং থুতনি বাদে মুখের বাকি অংশ কিছুটা ড্রাই হয়ে থাকে।
চেনার উপায় :
একটি ক্লিঞ্জার ব্যবহার করে মুখ পরিষ্কার করে এবং আধা ঘন্টা অপেক্ষা করুন। যদি মুখের টি জোন অর্থাৎ কপাল, নাক ও থুতনির এরিয়ায় অয়েলিনেস ও বাকি অংশে ড্রাইনেস অনুভব করেন, তাহলে বুঝে নিতে হবে আপনার স্কিন টাইপ কম্বিনেশন।
কম্বিনেশন ত্বকের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন :
প্রতিদিন কমপক্ষে দুইবার মাইল্ড ফেসওয়াশ ব্যবহার করবেন। এজন্য জেল বা ফোম বেসড প্রোডাক্ট চুজ করতে পারেন।
প্রতিবার ফেসওয়াস ব্যবহারের শেষে হাইড্রেটিং টোনার ব্যবহার করবেন। এটি কম্বিনেশন স্কিনের এনলারজড পোরস ছোট করবে।
বয়স ২০+ হলে স্কিনকেয়ারে সিরাম ইনক্লুড করতে পারেন। ব্রাইটেনিং এর জন্য ভিটামিন সি সিরাম, হাইড্রেশনের জন্য হায়ালুরোনিক সিরাম, অ্যান্টি এজিং এর জন্য রেটিনল সিরাম ইত্যাদি। আপনার স্কিন কনসার্ন অনুযায়ী যেকোনো একটি সিরাম বেছে নিন। রাতে ব্যবহার করলে স্কিন প্রোডাক্ট এবসর্ব করার জন্য প্রপার সময় পায়।
যেহেতু কম্বিনেশন স্কিনের কিছুটা অংশ ড্রাই হয়ে থাকে তাই মশ্চারাইজার ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কম্বিনেশন ত্বকের জন্য লাইট ময়েশ্চারাইজার বেস্ট অপশন।
রোদে বের হলে অবশ্যই সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই এবং রি-এপ্লাই করবেন।
চাইলে সপ্তাহে এক বা দুইদিন স্কিন টাইপ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ঘরোয়া ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন।
৫। সেনসিটিভ ত্বক :
বৈশিষ্ট্য :
প্রোডাক্ট ব্যবহারে বা স্কিন কেয়ারে একটু এদিক-ওদিক হলেই ত্বকে র্যাশ, বাম্পস, রেডনেস বা লালচে ভাব দেখা যায়।

ত্বকে টাইটনেস ফিল হয় এবং চুলকানি হয়। নরমাল ক্লিঞ্জার ব্যবহারে এটি বেশি হয়।
প্যারাবেন বা অ্যালকোহল যুক্ত স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহারে ইরিটেশন হয়।
হঠাৎ করেই ত্বক এক্সট্রেইমলি ড্রাই হয়ে যায় এবং ব্রেকআউট দেখা দেয়।
চাইলেই যে কোন প্রোডাক্ট ত্বকে ব্যবহার করা যায় না এতে স্কিন রিয়েকশন দেখা দেয়।
ত্বকে অতিরিক্ত ডেড সেলস জমা হয়।
স্কিন ইরিটেশন এবং জ্বালাপোড়া হয়ে থাকে।
ত্বকে খুব তাড়াতাড়ি সানবার্ন বা ট্যান পরে যায়।
ত্বকের গঠন অনেকটা পাতলা হয়।
চেনার উপায় :
উপরের বৈশিষ্ট্যগুলো যদি আপনার ত্বকের সাথে মিলে যায় তাহলে আপনার স্কিন টাইপ হলো সেনসিটিভ। সেনসিটিভ ত্বকের যত্নে অনেক সতর্ক থাকতে হয় কারণ একটু এদিক-ওদিক হলেই স্কিন রিঅ্যাকশন, এলার্জি, ইরিটেশন শুরু হতে পারে।
সেনসিটিভ স্কিনের ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন এবং এই ব্যাপারে কিছু সতর্কতা –
সূর্যের আলো হলো আপনার ত্বকের শত্রু। তাই অবশ্যই সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। নন-কমেডোজেনিক, প্যারাবেন ও ফ্র্যাগনেন্স ফ্রী সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
সেন্সিটিভ ত্বকের জন্য তৈরি এমন একটি মাইল্ড ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। তবে দিনে দুবারের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো ।
সপ্তাহে দুইদিন এক্সফোলিয়েশন করতে পারেন তবে অতিরিক্ত রাবিং করবেন না।
আপনার স্কিনে শুট করে এরকম একটি টোনার ব্যবহার করুন প্রতিবার ফেইসওয়াশের পর।
সেনসিটিভ ত্বকের জন্য তৈরি অনেক ময়শ্চারাইজার রয়েছে। সেখান থেকে আপনার পছন্দ মতো একটি মময়েশ্চারাইজার বেছে নিন। তবে মুখে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট বা পরীক্ষামূলক ব্যবহার করে নিবেন।
রাতের বেলা একটি ভালো মানের সিরাম ব্যবহার করুন তবে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিবেন।
মেকআপ ব্যবহার করলে অবশ্যই তা ভালোভাবে মুখ থেকে তুলে ফেলবেন। নয়তো স্কিন রিঅ্যাকশন দেখা দিবে।
সেনসিটিভ স্কিনের প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। তবে সেনসিটিভ ত্বকে কোন প্রডাক্ট ব্যবহার করবেন না করবেন তা নিয়ে সবসময় সতর্ক থাকা চাই।
ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন কিভাবে তৈরি করবেন তা সম্পর্কে আরো জানবো জানতে পড়ুন –
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য কয়েকটি ভালো ফেইসওয়াশ হলো Khadi Natural Herbal Face Wash এবং Biotique Bio Neem Purifying Face Wash। শুষ্ক ত্বকের জন্য একটি বেস্ট মশ্চারাইজার হলো Khadi Natural Rose & Honey moisturizer. সেনসিটিভ এবং একনে-প্রন স্কিনের জন্য Forest Essentials এর Delicate Facial Cleanser Kashmiri Saffron & Neem – এই ক্লিঞ্জারটা ভালো কাজ করে।
শেষ কথা
ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন তৈরি করা এবং তা ফলো করা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে নিজেদের স্কিন টাইপ সম্পর্কে না জেনেই বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট ব্যবহার করে ত্বকের ক্ষতি করছে। কারণ এক স্কিন টাইপের প্রোডাক্ট অন্য স্কিন টাইপের জন্য সুইটেবল নয়। এতে আরও উল্টো রিয়েকশন দেখা দিতে পারে। তাই ত্বকের ধরন অনুযায়ী আগে রূপচর্চার রুটিন জেনে নিতে হবে এবং তারপর তা ফলো করতে হবে। এক্ষেত্রে স্কিন টাইপ এবং সমস্যা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট অথবা ন্যাচারাল স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। একটা কথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে, ত্বকের যত্ন নেওয়া ছাড়া কখনোই ত্বক ভালো থাকবে না। তাই ত্বককে সুন্দর এবং হেলদি রাখতে অবশ্যই ত্বকের ধরন অনুযায়ী ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা উচিত। কারণ নিয়মিত ডেইলি স্কিন কেয়ারই আমাদের ত্বককে প্রাণবন্ত এবং সুন্দর রাখতে সব থেকে বেশি কার্যকর।
FAQ :
ক) প্রতিদিন ত্বকের যত্নের রুটিন কি?
প্রতিদিন সকালে উঠে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ফেসওয়াস ব্যবহার করা, টোনার, ময়েশ্চারাইজার এবং রোদে বেরোনোর আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার।
খ) ত্বকের যত্নের কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সারাদিনের রোদ, ধুলোবালি, ক্লান্তিতে ত্বক হয়ে ওঠে নিষ্প্রাণ। এই নিষ্প্রাণ ত্বকে প্রাণ ফেরাতে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যজ্জল ও হেলদি করতে ত্বকের যত্নের গুরুত্ব রয়েছে।
গ) ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন কিভাবে তৈরি করবেন?
সবার আগে ত্বকের ধরন সম্পর্কে জানতে হবে। তারপর ত্বকের ধরন এবং সমস্যা অনুযায়ী কোন কোন স্টেপ ফলো করা উচিত এবং কোন প্রোডাক্ট ব্যবহার করা উচিত তা সিলেক্ট করে ডেইলি স্কিন কেয়ার রুটিন তৈরি করা যেতে পারে।



