infixnatural.com/

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা কি? কেন এটা আপনার জন্য সেরা?

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা

প্রাচীন কাল থেকে আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করা হচ্ছে । প্রাচীন কাল থেকে আয়ুর্বেদ দিয়ে ত্বকের অনেক সমস্যা সমাধান এবং ত্বকের উন্নতি করা হচ্ছে । 

শুধু  আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করা হয় না, প্রাচীন কাল থেকে আয়ুর্বেদিক এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবাও করা হয়ে আসছে এবং এখনো এটি বিদ্যমান । তবে আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা এর মাধ্যমে আপনি ঘরোয়া রুপচর্চা এবং সম্পুর্ন প্রাকৃতিক রুপ চর্চা করতে পারবেন । আর এই আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা একদম নিরাপদ, তাই নিশ্চিন্তে ন্যাচারাল বিউটি কেয়ার এর জন্য আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা কে আপনি বেছে নিতে পারবেন ।

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা এর মাধ্যমে আমাদের ত্বক এর যেমন উন্নতি হয়ে থাকে ঠিক তেমনি আমাদের ত্বক এর উজ্জলতাও বৃদ্ধি পেয়ে থাকে । ন্যাচারাল বিউটি কেয়ার এর জন্য বর্তমানে অনেক আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করে থাকে । যা বর্তমানে অনেক স্বাভাবিক একটি বিষয় । আপনি চাইলেই আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করতে পারবে ঘরে বসে ।

 তবে এই অরগানিক রুপচর্চা এর জন্য আপনাকে অবশ্যই এই অরগানিক রুপচর্চা বিষয়ে সঠিক তথ্য থাকা অবশ্যই দরকার নাহলে আপনার ত্বকের অনেক রকম ক্ষতি হতে পারে । তাই আমাদের এই লিখা থেকে আপনি আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা বিষয়ক সকল তথ্য পাবেন এবং এটি ব্যবহার এর সঠিক নিয়মাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন । 

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা কি?

আয়ুর্বেদ মূলত একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যা প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার করে আসা হচ্ছে । তবে ন্যাচারাল বিউটি কেয়ার এর জন্যও এই আয়ুর্বেদ ব্যবহার করে আসা হচ্ছে । মূলত প্রাচীন কালে নানান রকম গাছ-গাছালি এবং বিভিন্ন ধরনের ওষধি গাছ থেকে নানান রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করে আসা হচ্ছে । 

আর এই সকল উপাদান এর মাধ্যমে আমাদের ত্বক এর নানান রকম সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে এবং আমাদের মুখের উজ্জলতা এবং সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি করে আসছে । আর এইগুলোকেই আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা বলা হয়ে থাকে । 

প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদানের মাধ্যমে আমাদের ত্বক, চুল এবং মুখের রুপচর্চা এবং কেয়ার নেয়া যায় । তাছাড়া আয়ুর্বেদ এর পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভিন্ন রকম তেল তৈরি করা হয়ে থাকে যা আমাদের অরগানিক রুপচর্চা এর ক্ষেত্রে অনেক কাজে দেয় এবং আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপযোগী । 

আয়ুর্বেদিক রুপ চর্চা কেন নিরাপদ ও জনপ্রিয়

অনেকেই জানতে ইচ্ছুক যে, আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা কেন এতো নিরাপদ এবং জনপ্রিয় । তবে এই জনপ্রিয় হওয়ার কারণ অনেকগুলো তার মধ্যে হচ্ছে আয়ুর্বেদ এর কার্যক্ষমতা । আয়ুর্বেদ এর কার্যক্ষমতা অনেক যার ফলে আমাদের সবার আস্থার প্রতীক হয়ে দাড়িয়েছে আয়ুর্বেদিক । তবে নিচে এর উল্লেখযোগ্য কারণগুলো দেয়া হলো । 

তাছাড়া ইউএস এর ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন এর একটি গবেষনাতে বের হয়ে এসেছে যে প্রাকৃতিক পণ্যের বিক্রি ২০০৮ সালে মোট $7.9 বিলিয়ন ছিল, এবং 2010 সাল নাগাদ $10 বিলিয়ন পার করে ফেলে ।তাছাড়া ২০০৫ সালে ইউরোপে ১৪% এর মতো প্রাকৃতিক

উপাদান ব্যবহার করা হতো,  কিন্ত ২০০৭ সালে তা বেড়ে ২৩% হয়েছে। 

এই শ্রেণীতে অন্তর্ভুক্ত কিছু সাধারণ উপাদান হল ইচিনেসিয়া, গ্রিন টি, রসুন, জিংকো বিলোবা, অ্যালোভেরা এবং হলুদ, আরো অনেক কিছু ।আর এই সবগুলোই আয়ুর্বেদিক উপাদানগুলোর মধ্যে পড়ে । 

কেন নিরাপদ ?

  • আয়ুর্বেদিক রুপচর্চাতে প্রাকৃতিক উপাদান এর ব্যবহার হয়ে থাকে । আর এই উপাদানগুলো সম্পূর্ণভাবে প্রাকৃতিক এবং কোনো ধরণের ক্ষতি করে না, যা একটি ভালো দিক । 
  • ত্বক এবং চেহেরার যেকোনো সমস্যার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারবেন । এটি ত্বকের মলিনতা, ত্বকের উজ্জলতা এবং অন্যান্য সকল সমস্যার পূর্ণ সমাধান করে থাকে। যার ফলে মানুষেরা এটির ব্যবহার অনেক বেশি করে থাকে ।  
  • আয়ুর্বেদিক শুধু রুপচর্চার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় না । এটি চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক অবদান রেখে এসেছে । আর তাই এটি রুপচর্চার ক্ষেত্রে অনেক বেশি নিরাপদ হয়ে আছে । 
  • এই রুপচর্চা পুরাতন সংস্কৃতির নানান নিয়ম মেনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে । এটি অনুসরণ করে স্বাভাবিক এবং নিরাপদ পদ্ধতিতে রূপচর্চা করা হয় । যার জন্য এটি এতো জনপ্রিয় । 

ঠিক এই সকল কারনের জন্য আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা এতো নিরাপদ এবং জনপ্রিয় । আর তাছাড়া এই আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা পদ্ধতি অনেক পুরাতন এবং প্রাচীন যুগ থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে । আর এতো আগে থেকে ব্যবহার করার পরও এটির মধ্যে থেকে খুব বেশি ক্ষতিকর দিক বের হয় নাই । যার জন্য প্রাকৃতিক রুপ চর্চাতে সবার আগে আয়ুর্বেদিককেই সবার উপরে রাখা হয়ে থাকে । 

আয়ুর্বেদিক অনুযায়ী তিন ধরনের ত্বকের বৈশিষ্ট্য

আয়ুর্বেদিক অনুযায়ী তিন ধরনের ত্বকের কথা বলা হয়েছে । আর এই তিন ধরনের ত্বকের ওপর ভিত্তি করেই অরগানিক রুপচর্চা করা হয়ে থাকে । তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক এই তিন ধরনের ত্বকের বৈশিষ্ট্য । 

বাত বা (vata) প্রকৃতির ত্বক 

এই প্রকৃতির ত্বক মূলত অনেক শুষ্ক বা রুক্ষ হয়ে থাকে । আর এই রকম শুষ্ক বা রুক্ষ ত্বক হয়ে থাকলে আমাদের ত্বক ধীরে ধীরে কুচকে যাবে নাহলে বলি দেখা যাবে । তবে এর জন্য আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা হচ্ছে ভালো সমাধান । আপনি যদি আয়ুর্বেদ প্রকৃতির উষ্ণ তেল ব্যবহার করে আপনার ত্বকে, যেগুলো ত্বকের শুক্ষতা বাড়ায় এবং ত্বকের প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায় তবে সুন্দর একটি ত্বক পেতে পারেন আপনি । তবে প্রতিসপ্তাহে একবার মুখে তেল মাসাজ করা উচিত।

পিত্ত বা (Pitta) প্রকৃতির ত্বক

এই ধরনের ত্বকে মূলত অনেক তৈলাক্ত হয়ে থাকে, যা কিনা আমাদের ত্বকের জন্য অনেক ক্ষতিকারক। কারণ এই সকল তৈলাক্ত ত্বক এর ওপর প্রতিদিন অনেক রকম ময়লা বা ধোলা আসতে পারে আর তা আমাদের ত্বক শুষে নিতে পারে, যার ফলে আমাদের মুখে অনেক ব্রন বা লালচে ত্বক করে ফেলতে পারে । তাই অবশ্যই আমাদের এই ত্বক থেকে বাঁচতে হবে এবং আমাদের ত্বকের ভালোমতো যত্ন নিতে হবে ।

 তাই আপনি আয়ুর্বেদ ব্যবহার করতে পারবেন । এই ধরনের ত্বক এর জন্য আপনি হলুদ, অ্যালোভেরা বা চন্দন ব্যবহার করতে পারেন । তাছাড়া আরো অনেক শীতল প্রকৃতির উপাদান ব্যবহার করতে হবে । কারণ আমাদের ত্বক বা মুখ যদি শীতল হয়ে থাকে তবে আমাদের ত্বকের অনেকটা তৈলাক্ত ভাব চলে যাবে খুব সহজে এবং ব্রন বা অন্য জাতীয় সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে না । 

কফ বা (Kapha) প্রকৃতির ত্বক

এই ধরনের ত্বক ঠাণ্ডা এবং তৈলাক্ত দুটোই থাকে, যা আমাদের ত্বকের জন্য মারাত্ত্বক ক্ষতিকারক । কারণ এই ধরনের ত্বকে অনেক বেশি ব্যাক্টেরিয়া এবং অনেক ধরনের জীব বাস করতে পছন্দ করে । তাই আয়ুর্বেদ তেল সহ নানান রকম আয়ুর্বেদ উপাদান ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেজ্ঞরা । 

ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আয়ুর্বেদিক এর ব্যবহার 

ত্বকের বৈশিষ্ট্য যদি আপনি জেনে থাকেন তবে অবশ্যই আপনি বুঝতে পেরেছেন যে আপনার ত্বকটি কেমন । তাই এখন এই সকল ত্বক এর সমস্যা সমাধান এর জন্য আপনি যেভাবে আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা করবেন তার বিস্তারিত ধারনা এইখানে দেয়া হলো । 

বাত বা Vata ফেস মাস্ক

উপাদান : ১ চামচ ছোলা ময়দা, এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো, ১/৪ কাপ গোলাপ জল, দই বা ঠান্ডা দুধ । 

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা

তৈরির নিয়ম এবং ব্যবহার :সকল উপাদানগুলো একসাথে নিয়ে মিশিয়ে পেস্ট করুন । এরপর তা আপনাদের মুখে মাখুন । এরপর ১০-১৫ মিনিট রেখে দিয়ে গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন । এরপর চাইলে আপনি কোনো আয়ুর্বেদ তেল ব্যবহার করতে পারেন, যা অনেক ভালো হয় । 

পিত্ত বা Pitta ফেস মাস্ক

উপাদান : ১/৪ কাপ অ্যালোভেরা জেল (অন্য কোনো উপাদান ব্যতিত তেল), কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল এবং ১-৩ তুলোর বল । 

তৈরির নিয়ম এবং ব্যবহার : প্রথমে তুলোর বলগুলো গোলাপ জলের মধ্যে ভিজিয়ে আপনার মুখ পরিস্কার করুন । এরপর অ্যালোভেরা জেল মুখে মাখুন এবং ১০-১৫ মিনিট এর জন্য রেখে দিন । এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন । এরপর চাইলে আপনি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারবেন । 

কফ বা Kapha ফেস মাস্ক

উপাদান : ১ চা চামচ মধু এবং এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো । 

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা

তৈরির নিয়ম এবং ব্যবহার : মধু এবং হলুদ গুঁড়ো একসাথে নিয়ে মিশিয়ে নিন ভালোমতো । এরপর তা মুখে মাখুন । এরপর ১০-১৫ মিনিট পর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন । 

কফ বা Kapha ফেস মাস্ক

উপাদান : মুলতানি মাটি এবং পানি । 

তৈরির নিয়ম এবং ব্যবহার : মুলতানি মাটি এবং পানি একসাথে নিয়ে মিশিয়ে নিন ভালোমতো । এরপর তা মুখে মাখুন ১০-১৫ মিনিট এর জন্য । এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন ।  

সব ধরনের ত্বকের জন্য ফেস মাস্ক

উপাদান : ২ চামচ সূক্ষ্ম ওট ময়দা, ২ চামচ বাদাম ময়দা,এক চিমটি হলুদ গুঁড়ো এবং আপনার পছন্দের তেল ২-৫ ফোঁটা । 

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা

তৈরির নিয়ম এবং ব্যবহার : সবগুলো উপাদানগুলো মিশিয়ে নিন এরপর সেইসকল উপাদান এর মধ্যে ২-৫ ফোঁটা তেল দিন । এরপর আপনার মুখে তা মাখুন এবং ১০-১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে তুলে ফেলুন । 

এই ছিলো আমাদের ত্বকের উপর ভিত্তি করে কিছু আয়ুর্বেদিক সমাধান । আপনি এই সকল সমাধান গুলো ঘরোয়া রুপচর্চা এবং অরগানিক রুপচর্চা হিসেবে গন্য করা হয় । তাই আপনি খুব সহজে ব্যবহার করতে পারবেন এবং এটি খুবই নিরাপদ । 

প্রাকৃতিক রুপচর্চায়  কয়েকটি সেরা আয়ুর্বেদিক ব্রান্ড

আপনারা অনেকে ঘরোয়া রুপচর্চা হিসেবে বানানো ফেস মাস্ক ব্যবহার করেন না বা এইগুলো বানানোর সময় বের করতে পারেন না । তাই আমরা আপনাকে এইখানে কয়েকটি ভালো এবং জনপ্রিয় ব্র্যান্ড এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো । এর ফলে আপনি যখন রেডিমেড আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট কিনতে যাবেন তখন জেনো আপনার দেখে শুনে কিনতে অনেক সুবিধা হয় । তাহল চলুন পরিচিত হয় কিছু দেশি এবং বিদেশি ব্র্যান্ড সম্পর্কে ।

সতেজ মন্ত্র (Shotej Montro),  রূপ ছন্দ (Rup Chondo) বা আয়ুষ টারমারিক ফেইস ওয়াশ (Ayush Face wash)  অনেক পরিচিত এবং দেশি একটি ব্র্যান্ড । তাছাড়া বিদেশি পন্য হিসেবে আপনি রঙ্গোলি ফেস ময়েশ্চারাইজার, কামা আয়ুর্বেদ, Dabur, Patanjali,     Skincafe,Organikare, Rajkonna, Nutripure ব্যবহার করতে পারেন ।এই কয়েকটি পন্য এবং ব্র্যান্ড এর প্রোডাক্ট কিনতে পারেন । 

আয়ুর্বেদিক রুপচর্চায় যে বিষয় গুলো খেয়াল রাখবেন

আমরা জানি যে এটি অনেক নিরাপদ । কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যেন আমাদের কোন রকম ক্ষতি যেন না হয় । আর আয়ুর্বেদিক রুপচর্চাতে আমাদের অনেক রকম নিয়ম মেনে আমাদের  ঘরোয়া রুপচর্চা করা উচিত । আর আমাদের কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত । তাই এইখানে কিছু বিষয় তুলে ধরা হয়েছে । 

১। আয়ুর্বেদিক রুপচর্চাতে অবশ্যই আমাদের ধৈর্য ধারন করতে হবে । কারণ আয়ুর্বেদিক উপাদান সবসময় ধীরে ধীরে কাজ করে থাকে তাই আমাদের অবশ্যই এর ওপর ধৈর্য ধরে এবং সময় রুপচর্চা করা উচিত। এতে আপনার ত্বকের উপকার করবে । 

২। আপনার যদি অ্যালার্জি জাতীয় কোন সমস্যা থেকে থাকে তবে অবশ্যই ডক্টর বা কোন আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ এর কাছে থেকে পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন । 

৩। যেকোনো আয়ুর্বেদ ব্যবহার করার আগে অবশ্যই যাচাই করে সেই পন্য বা উপাদানটি ব্যবহার করুন । 

৪। অবশ্যই আয়ুর্বেদ ব্যবহার করার পর থেকে  ত্বকের ভালো মতো যত্ন নিন । তবেই আপনার ত্বক এ এই আয়ুর্বেদ  অনেক ভালো-ভাবে কাজে দিবে । 

শেষ কথা 

আশা করি আপনি আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা সম্পর্কে বিস্তারিত এবং সকল ধারনাগুলো নিতে পেরেছেন । আর তাছাড়া ব্যবহার করার সময় অবশ্যই সকল নিয়মাবলি এবং সাবধানতা গুলো মেনে ব্যবহার করবেন । আর আমাদের দেয়া সকল সমাধান দ্বারা আপনি  ন্যাচারাল বিউটি কেয়ার খুব সহজে করতে পারবেন । তাই আশা করা যায় এখন থেকে অরগানিক রুপচর্চাতে আয়ুর্বেদিক ব্যবহার এ কোন রকম সমস্যা পাবেন না । 

FAQ

১। আয়ুর্বেদিক উপাদান দিয়ে কি রুপচর্চা করা আমাদের জন্য ভালো হবে ? 

উত্তর : জ্বি, আয়ুর্বেদিক উপাদান দিয়ে শুধু রুপচর্চা করা হয় না, আমাদের চিকিৎসাও করা হয়ে থাকে এবং এই আয়ুর্বেদিক এর ব্যবহার প্রাচীন কাল থেকে করে আসা হচ্ছে ।তাই এটি নিরাপদ । 

২। আয়ুর্বেদিক ফেস প্যাক ব্যবহার করলে ত্বকে কি কোন সমস্যা হবে? 

উত্তর : এর দ্বারা কোন সমস্যা হবে না, তবে আপনার যদি অ্যালার্জি বা ত্বক এর কোন অসুখ থেকে থাকে তবে অবশ্যই ডাক্তার এর কাছে পরামর্শ নিয়ে ব্যবহার করুন । 

৩। আয়ুর্বেদিক রুপচর্চা কি প্রতিদিন ব্যবহার করা যাবে ?

উত্তর : কিছু উপাদান দিয়ে প্রতিদিন রুপচর্চা ব্যবহার করা উচিত, আবার কিছু উপাদান কয়েকদিন বিরতি নিয়ে রুপচর্চা করা উচিত । তাই ব্যবহার করার আগে সেই উপাদান সম্পর্কে জেনে ব্যবহার করুন । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Comment

Name

Home Shop Cart Account
Shopping Cart (0)

No products in the cart. No products in the cart.